Doc2p Blog

Updates about the Health World
Blog Details
শীতে সুস্থ থাকবে শিশু
17 Jan

শীতে সুস্থ থাকবে শিশু

শীত এলেই সব মা-বাবা তাদের শিশুদের নিয়ে চিন্তিত হয়ে যান। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই শীতে আপনার সোনামণি থাকবে একদম সুস্থ আর সবল। শীতে সবারই চাই বাড়তি যত্ন। শিশুদের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন আরও বেশি।



চুল : এই শীতে চুল না কামানোই ভালো। একান্তই যদি চুল কামাতে হয়, তবে মাথায় টুপি পরিয়ে রাখতে হবে। যেসব বাচ্চা আলাদা টুপি পরতে চায় না, তাদের সোয়েটার বা জ্যাকেটের সঙ্গে লাগানো টুপি পরানো যেতে পারে।



ত্বক : বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে তেল না মাখানো ভালো। তবে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে গেলে ভ্যাসলিন ও গ্গি্নসারিন লাগানো যেতে পারে। সমপরিমাণ পানি ও গ্গি্নসারিন এক্ষেত্রে উপযোগী। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ক্রিম, লোশন লাগাতে হবে।



গোসল : অন্তত একদিন পরপর হালকা গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। গোসলের পর ভালোভাবে শরীর মুছতে হবে। না হলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।



কাপড় :খুব আঁটসাঁট কাপড় পরানো উচিত নয়। শিশুর স্বস্তির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সরাসরি উলের তৈরি কাপড় না পরিয়ে এর নিচে সুতি বা গেঞ্জি কাপড়ের পোশাক পরানো উচিত। লেপ, কাঁথা, বালিশ রোদে দিতে পারলে ভালো। পায়ে মোজা, জুতা, স্যান্ডেল পরাতে হবে। জানালার পাশে ঘুমাতে দেওয়া যাবে না। প্রস্র্রাব করার সঙ্গে সঙ্গে কাঁথা বদলে দিতে হবে, না হলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। রাতে ডায়াপার পরানো যেতে পারে। রুম হিটার ব্যবহার করলে ঘরে খোলা পাত্রে পানি রাখতে হবে, না হলে শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।



খাবার : সুস্থ থাকার জন্য বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন। পানি হালকা গরম করে খাওয়াতে হবে। পানি খাইতে না চাইলে ফলের রস, দুধ, স্যুপ খাওয়ান। ফল ও সবজি রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমায়। দু'বার খাবার দেওয়ার মাঝে অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা বিরতি দিন। কারণ খাবার হজম হতে শিশুদের ৩-৪ ঘণ্টা সময় লাগে।



অসুখ-বিসুখ : সর্দি-কাশি এই ঋতুর খুব সাধারণ একটি অসুখ। প্রায় প্রতিটি শিশুকেই এ সময় ভুগতে হয়। সম্ভব হলে প্রতিদিন শিশুকে ১৫-২০ মিনিট রোদে রাখতে হবে। এতে একদিকে যেমন নবজাতকের জন্ডিস সেরে যেতে পারে, অন্যদিকে তার ত্বকও ভিটামিন ডি পাবে। শিশুকে নিউমোনিয়া, গলা ব্যথা, শীতকালীন ডায়রিয়াসহ অন্যান্য জীবাণু থেকে মুক্ত রাখতে বারবার হাত ধোয়ার চেষ্টা করতে হবে। বাচ্চাদের নাক বন্ধ থাকলে স্যালাইন ওয়াটার ভালো কাজে দেবে। এটি সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত। ঘরোয়া চিকিৎসায় কাশি সেরে যায়। এ সময় এর কাশি সারতে বেশ সময় লাগে। মায়ের সর্দি-কাশি হলে তা বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর ভেবে দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা যাবে না। এই সময় খুব বেশি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। মোট কথা, আপনার সচেতনতাই পারে শিশুকে সুস্থ রাখতে।


Ref : bangla.samakal

Admin (2225) (0)
Tags:
0 Comments

If you need a doctor ?

Make an appointment now !