মেরুদণ্ড ক্ষয়রোগের উপসর্গ
আমাদের মেরুদণ্ডকে মেডিকেল পরিভাষায় কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন : ঘাড়ের অংশটুকু সারভাইক্যাল স্পাইন, পিঠের অংশকে থোরাসিক স্পাইন, কোমরের অংশকে লাম্বার স্পাইন ও কোমরের নিচের অংশকে সেকরাল স্পাইন বলে। আমাদের মেরুদণ্ড সবচেয়ে বেশি নড়াচড়া হয়। দুইটি অংশে ঘাড় বা সারভাইক্যাল স্পাইন ও কোমর বা লাম্বার স্পাইন। সারভাইক্যাল স্পাইনে মুভমেন্ট বা নড়াচড়া বেশি হয়। ফলে মেরুদণ্ডের এই অংশে হাড়ের ক্ষয়ও বেশি হয়ে থাকে। ঘাড়ের মেরুদণ্ডের এই ক্ষয়কে বলা হয় সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস।
উপসর্গ :
১. ঘাড় ব্যথা এবং এই ব্যথা কাঁধ, বাহু, হাত ও আঙ্গুল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
২. কাঁধ, বাহু, হাত ও আঙ্গুলে অস্বাভাবিক অনুভূতি বা অবশ ভাব হতে পারে।
৩. বাহু, হাত ও আঙ্গুল দুর্বল অনুভূত হতে পারে।
৪. সব সময় ঘাড় ধরে বা জমে (স্টিফনেস) আছে এবং আস্তে আস্তে ব্যথা বাড়তে থাকে।
৫. ঘাড়ের মুভমেন্ট ও দাঁড়ানো অবস্থায় কাজ করলে ব্যথা বেড়ে যায়।
৬. ঘাড় নিচু করে ভারী কিছু তোলা বা অতিরিক্ত কাজের পর তীব্র ব্যথা।
৭. হাঁচি, কাশি দিলে বা সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বেড়ে যায়। ৮. ব্যথা মাথার পেছন থেকে শুরু হয়ে মাথার সামনে আসতে পারে।
৯. শরীরে দুর্বলতা লাগে, ঘুমের বিঘ্ন ঘটে এবং কাজ করতে অক্ষমতা লাগে।
চিকিৎসা: মূল চিকিৎসা হলো ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি ও থেরাপিউটিক ব্যায়াম। এছাড়া বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক রোগীর অবস্থা অনুযায়ী বিভিন্ন চিকিৎসার পরিকল্পনা করে থাকেন। তাই মেরুদণ্ডের এসব ব্যথায় অবহেলা করা মোটেও উচিত নয়।
REF: বাংলাদেশ প্রতিদিন
doc2p provides you quick and easy access to doctors, healthcare facilities, and informative health blog posts anytime, anywhere.